১০ + ইউনিক বিজনেস আইডিয়া

১০ + ইউনিক বিজনেস আইডিয়া

ইউনিক বিজনেস আইডিয়া – বর্তমান যুগ হচ্ছে প্রতিযোগিতার যুগ। বর্তমান যুগে টিকে থাকতে হলে আপনাকে ইউনিক চিন্তা ভাবনা করতে হবে। ইউনিক চিন্তাভাবনার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই সাফল্যের শিখরে পৌঁছাতে পারবেন। আমাদের মাঝে অনেকেই আছে যারা ইউনিক আইডিয়ার অভাবে তাদের ব্যবসায় সফলতা অর্জন করতে পারে না।

আজ আমি আপনাদের কিছু ইউনিক বিজনেস আইডিয়া সম্পর্কে জানাবো। বর্তমানে কিছু মানুষ আছে যারা পুরোনো নিয়মে বিজনেস করে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। কেননা বর্তমান বাজারে টিকে থাকতে হলে আপনাকে ভিন্ন রকম চিন্তা ভাবনার অধিকারী হতে হবে। কোন একজন মানুষ যে জিনিস নিয়ে সফলতা অর্জন করেছে , সেটা নিয়ে পড়ে থাকলে হবে না।

কেননা সে অত্যন্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে , সে তার বিজনেস গড়ে তুলেছে। এখন যে ব্যক্তি মার্কেট দখল করে আছে , তাকে সেখান থেকে সরানো অনেক কষ্টের ব্যাপার। কিন্তু আপনি যদি ইউনিক আইডিয়া নিয়ে ব্যবসা শুরু করুন , তাহলে আপনি সফলতা অর্জন করতে পারবেন। ব্যবসা করতে চাইলে এমন জিনিস নিয়ে ভাবুন , যেটা এখনো কেউ করেনি।

ইউনিক বিজনেস আইডিয়া

আপনাকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছাতে হলে , অবশ্যই ইউনিট চিন্তা ভাবনা করতে হবে। আপনি যদি ব্যবসা করতে চান , তাহলে প্রথমে আপনাকে দেখতে হবে কোন জিনিসটা বাজার বেশি চলতেছে। যে জিনিসের বাজার নেই , সেটি নিয়ে আপনি এগোতে পারবেন না। এর জন্য প্রয়োজন ইউনিক আইডিয়া। চলুন জেনে নেয়া যাক কিছু ইউনিক বিজনেস আইডিয়া সম্পর্কে।

মাছের ব্যবসা

মাছ হচ্ছে  আমাদের প্রত্যাহিক জীবনে খাবার। বলা হয়ে থাকে মাছে ভাতে বাঙালি। তাই বাংলার মানুষ মাছ ছাড়া চলতে পারে না। যে জিনিস মানুষের প্রতিদিন প্রয়োজন পড়ে , সেই জিনিস নিয়ে ব্যবসা করলে আপনি দ্রুত এগোতে পারবেন। কেননা সেই জিনিস ছাড়া তার দিন চলবে না।

যে তোমার ছাড়া বাঙালি চলতে পারে না, তাই মাছ নিয়ে ব্যবসা করাটাই উত্তম। আর মাছ ব্যবসায় প্রচুর মুনাফা অর্জন হয়। এর জন্য প্রয়োজন একটি পুকুর। তাছাড়া আপনার পুকুর না থাকলে , আপনি টাকা দিয়ে বছরভিত্তিক পুকুর নিতে পারবেন। আর মাছ চাষে খুব একটা ব্যয় করার প্রয়োজন হয় না। আরে ব্যবসায় লাভের পরিমাণ বেশি।

ফটোকপির ব্যবসা

বর্তমানে ফটোকপির ব্যবসা অন্যতম লাভজনক ব্যবসা। বর্তমানে মানুষের বিভিন্ন কাজের জন্য বিভিন্ন ধরনের পেপার ফটোকপি করতে হয়। আরে পেপার ফটোকপি করতে খুব একটা টাকা ব্যয় না। কিন্তু একটি ফটোকপিতে প্রায় 4 ভাগ লাভ হয়ে থাকে। ধরেন আপনি একটি আইডি কার্ড ফটোকপি করবেন।

একটি আইডি কার্ড ফটোকপি করতে বড়জোর 50 পয়সা খরচ হয়। কিন্তু আপনার কাছে 5 টাকা রাখে। এখন আপনি নিজেই দেখেন ফটোকপির ব্যবসায় কি পরিমান লাভ হয়ে থাকে। এ ব্যবসায় লাভের পরিমাণ অনেক বেশি হয়ে থাকে। তাই আপনি চাইলে ফটোকপির ব্যবসা করতে পারেন।

ফুড কোর্ট

যে জায়গায় স্কুল-কলেজ বেশি , সেখানে ফুড কোড সবচেয়ে বেশি চলবে। কেননা স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা সবচেয়ে বেশি কোর্টে খাবার খেয়ে থাকে। আর ইউনিভার্সিটির সামনে তো কথাই নেই। ভারতের সবচেয়ে বেশি ফুড কোর্ট খাবারের জন্য ব্যবহার করে থাকে। তাই আপনি চাইলে, ফুডের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এবার আপনি দ্রুত সফলতা অর্জন করতে পারবেন।

গেঞ্জি প্রিন্ট এর ব্যবসা

বর্তমানে গেঞ্জি প্রিন্ট একটি আধুনিক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। কেননা বর্তমানে ছেলেমেয়েরা নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী ডিজাইন করে পোশাক পড়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে তারা বিভিন্ন এডিটিং এর মাধ্যমে কোন লোগো বানিয়ে সেটা গেঞ্জি প্রিন্ট করে থাকে। আর প্রতিটি গেঞ্জি প্রিন্ট আপনার অন্তত 50 টাকা লাভ থাকবে। আর বিভিন্ন বনভোজন , অথবা বিয়ের অনুষ্ঠান  , অথবা নির্বাচনী প্রচারে মানুষ তাদের নিজস্ব ডিজাইনের গেঞ্জি প্রিন্ট করে থাকে।

একটা বনভোজন অথবা বিয়ের অনুষ্ঠানে একটা গেঞ্জি প্রিন্ট হয়ে যায়। এখন ধরেন আপনি প্রতি গেঞ্জি থেকে 50 টাকা করে লাভ করবেন। তাহলে দেখেন আপনার 100 গেঞ্জিতে কি পরিমান লাভ হবে। আমার নিজের একটি গেঞ্জি প্রিন্ট এর ব্যবস্থা রয়েছে। যার মাধ্যমে আমার অনেক টাকা লাভ থাকে।

ফুটপাতে কাপড়ের ব্যবসা

বর্তমানে ফুটপাতে কাপড়ের ব্যবসা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফুটপাতে কাপড়ের ব্যবসা করে অনেকে হাজার হাজার টাকা উপার্জন করতে প্রতিদিন। বর্তমানে অনেক কলেজ ও ভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রীরা ফুটপাতে কাপড়ের ব্যবসা বেছে নিয়েছে। তার কারণ এ ব্যবসায় লাভের পরিমাণ অনেক বেশি। তাছাড়া বর্তমানে ফুটপাতে চলার সময় মানুষ যদি পছন্দ হয় তাহলে কাপড় কিনে থাকে।

প্রতিদিন ফুটপাত থেকে লাখ লাখ কাপড় বিক্রি হচ্ছে। যেহেতু এ ব্যবসায় লাভের পরিমাণ বেশি , তাই আপনি চাইলেই ফুটপাতে কাপড়ের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। কেননা এখানে আপনাকে দোকান ভাড়া দিতে হবে না। ফলে সে টাকাও আপনার পকেট থেকে যাবে।

বই বিক্রি

বই বিক্রি হচ্ছে অন্যতম সম্মানের পেশা। কেননা বই হচ্ছে মানুষের সবচেয়ে পরম বন্ধু। অনেক মানুষ আছে যারা বই পড়তে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে। ফলে তারা বেশিরভাগ সময় বই পড়ে। এর জন্য তারা নতুন নতুন বইয়ের সন্ধান করে। অন্যদিকে স্কুল-কলেজের স্টুডেন্টদের জন্য প্রতিবছরই বইয়ের প্রয়োজন হয়।

ফলে আপনি যদি বইয়ের ব্যবসা শুরু করেন , তাহলে দ্রুত সফলতার মুখ দেখতে পারেন। তাই আপনি চাইলে বইয়ের ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

সুতার ব্যবসা

যেহেতু মানুষ কাপড় পরতে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে , তাই সুতার ব্যবসা টা হচ্ছে একটি ইউনিক ব্যবসা। কাপড় বানাতে গেলে অবশ্যই সুতার প্রয়োজন পড়বে। প্রতিবছর কি পরিমাণ সার ব্যবহার হয় আপনি জানলে অবাক হয়ে যাবেন। সুতার ব্যবসায় লাভের পরিমাণ অনেক বেশি। তাই আপনি চাইলে সুতার ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

Link – বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা

Maimuna Khan

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *