স্টুডেন্টদের জন্য পার্ট টাইম জব

স্টুডেন্টদের জন্য পার্ট টাইম জব

স্টুডেন্টদের জন্য পার্ট টাইম জব – বেশিরভাগ স্টুডেন্ট এখন পার্ট টাইম জব করে থাকে। কেননা অনেক স্টুডেন্ট আছে যাদের পিতা-মাতা তাদের কে পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা দিতে পারে না পড়াশোনার জন্য। এজন্য তাদের বাড়তি টাকার যোগান দিতে পারতাম জব করতে হয়। এখানে পার্টটাইম জব বলতে বোঝানো হয়েছে অবসর সময় এ কাজ। অবসর সময়ে বসে না থেকে কিছু কাজ করলে স্টুডেন্টদের জন্য বাড়তি টাকা চলে আসে। বিশেষ করে যারা মিডল ক্লাস ও লো ক্লাস ফ্যামিলি থেকে আসে তাদের জন্য পার্ট টাইম জব খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা পড়াশোনা করে তাদের বেশিরভাগ মিডিল ক্লাস ফ্যামিলি থেকে আসে। আর এটা সকলেরই জানা মিডিল ক্লাস ফ্যামিলির লোকজন দের এত টাকা খরচ করার সামর্থ্য থাকে না। যার কারণে তাদের বাড়তি আয় করার জন্য কাজের প্রয়োজন পড়ে। এজন্য একটু স্টুডেন্টরা পার্ট টাইম জব করে থাকে। পার্ট টাইম জব অনেক রকম হতে পারে। নিচে স্টুডেন্টদের জন্য পার্ট টাইম জব দেয়া হলো।

স্টুডেন্টদের জন্য পার্ট টাইম জব

স্টুডেন্টরা বিভিন্নভাবে পার্ট টাইম জব করে টাকা উপার্জন করতে পারে। এর জন্য প্রয়োজন ধৈর্য মন মানসিকতা। যদি কোন স্টুডেন্ট এর পার্ট টাইম জব করার ইচ্ছা থাকে তবে তারা তা করতে পারে। তবে অলস মানুষদের জন্য পার্ট টাইম জব না। কেন না এর জন্য প্রয়োজন অক্লান্ত পরিশ্রম ও ধৈর্য ধারণ করা। এখানে আপনি বিভিন্ন ধরনের জব করতে পারেন। স্টুডেন্টদের জন্য বাড়তি উপার্জনের মাধ্যম হলো টিউশন করা। নিচে থেকে আরো বিস্তারিত পড়ুন পার্ট টাইম জব সম্পর্কে।

টিউশন – স্টুডেন্টদের জন্য পার্ট টাইম জব হিসেবে টিউশন অন্যতম। কেননা বেশিরভাগ ছাত্র ছাত্রী পার্ট টাইম জব হিসেবে টিউশনি করে থাকে। কেননা টিউশনি হচ্ছে সম্মানের পেশা। আর টিউশনি করে অনেক টাকা উপার্জন করা সম্ভব। শহরে একটি টিউশনি করলে সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা পাওয়া যায়। সুতরাং দেখা যাচ্ছে ২ থেকে ৩ টিউশনি করলে অনেক টাকা উপার্জন হয়ে যায়।

ব্লগিং – বর্তমানে অনেক স্টুডেন্ট ব্লগিং করে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করছে। বর্তমানে ব্লগিং একটি জনপ্রিয় পেশা। এখানে আপনি ঘরে বসে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করতে পারবেন। তবে এর জন্য আপনার প্রয়োজন ধৈর্য অক্লান্ত পরিশ্রম করা। ব্লগিং খুব সহজ। ইউটিউব থেকে ব্লগিং এর কিছু ভিডিও দেখে আপনি ব্লগিং শুরু করতে পারেন।

ব্লগিং শুরু করার জন্য প্রয়োজন প্রথমে আপনার একটি ওয়েবসাইট। সেখান থেকে আপনার নির্ধারণ করতে হবে আপনি কোন বিষয় নিয়ে লেখালেখি করবেন। যদি আপনি এডুকেশন নিয়ে লেখালেখি করেন তাহলে আপনি অনেক টাকা উপার্জন করতে পারবেন। আপনি চাইলে ইউটিউব থেকে ব্লগিং সম্পর্কে ধারণা নিয়ে নিতে পারেন।

ইউটিউব – অনেক স্টুডেন্ট ইউটিউবের জন্য ভিডিও ক্রিয়েট করে অনেক টাকা উপার্জন করছে। আপনার যদি একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকে এবং সেখানে আপনি প্রতিনিয়ত এ ভিডিও আপলোড করতে থাকেন, তবে যদি আপনার সাবস্ক্রাইবার ও ভিউ ভাল হয় তাহলে আপনি এডসেন্স ব্যবহার করে সেখান থেকে টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

প্রতি 1000 বার আপনার ভিডিও দেখার জন্য আপনি প্রায় 1 ডলার পেয়ে যাবেন। এখন বুঝতে পারছেন অনেকের ইউটিউব ভিডিও 1 মিলিয়ন বা 10 মিলিয়ন ভিউ হয়ে থাকে। তাহলে তাদের ইনকাম একটু লক্ষ্য করে দেখুন। অনেক ইউটিউবার প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করছে ইউটিউব ভিডিও তৈরি করে।

ফেসবুক – বর্তমানে টাকা উপার্জনের জন্য ফেসবুক অন্যতম মাধ্যম। ফেসবুকের মাধ্যমে আপনি অনেক টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে জানতে হবে কিভাবে টাকা উপার্জন করতে হয় ফেসবুক থেকে। ফেসবুক থেকে আপনি অন্যের পোস্ট মার্কেটিং করে সেখান থেকে টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

এছাড়াও ফেসবুক বর্তমানে নতুন নিয়ম চালু করেছে। শর্ট ভিডিও আপলোড করে থাকে টাকা উপার্জন করতে পারবেন। ফেসবুকে চ্যাট ভিডিও আপলোডের মাধ্যমে আপনার যদি ফলোয়ার সংখ্যা ও ভিউ সংখ্যা ভাল হয় তাহলে আপনি গুগল এডসেন্স পাবেন। এরপর আপনার ভিডিওতে এড বসিয়ে সেখান থেকে আপনি অনেক টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

অনলাইন গেমস – অনলাইনে অনেক গেমস রয়েছে যেগুলোর খেলতে ডায়মন্ড অথবা বিটকয়েনের প্রয়োজন পড়ে। আর আপনি যদি সেই সকল ডায়মন্ড তাদের কাছে বিক্রি করতে পারেন তাহলে আপনি এখান থেকে অনেক টাকা উপার্জন করতে পারবেন। ইউটিউবে এ সম্পর্কে অনেক ভিডিও রয়েছে দেখে নিতে পারেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং – এছাড়াও আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করে অনেক টাকা উপার্জন করতে পারবেন। ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে বোঝায় অন্যের কোম্পানির পণ্য বেচাকেনা করা। যদি আপনি অনলাইনে অন্য কোন কোম্পানির পণ্য বেচাকেনা করতে পারেন তবে সেখান থেকে তারা আপনাকে কিছু টাকা শেয়ার দিবে। কিভাবে আপনি টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

ফটোগ্রাফি – অনেকেই ভালো ছবি তুলতে পারে। অনেক দর্শনীয় স্থানে রয়েছে যেখানে অনেক মানুষ দিয়ে ডিএসএলআর ক্যামেরা দ্বারা ছবি তোলে। এখানে প্রতি ছবি তুলতে প্রায় দুই টাকা করে দর্শনার্থীরা দিয়ে থাকি। সুতরাং বুঝতেই পারছেন আপনি যদি ভাল ফটোগ্রাফার হন তাহলে আপনি প্রতিদিন অনেক টাকা উপার্জন করতে পারবেন। বিশেষ করে কক্সবাজার সবচেয়ে ফটোগ্রাফারের মূল্য বেশি।

রেস্টুরেন্ট ওয়েটার – অনেক রেস্টুরেন্ট রয়েছে যেখানে পার্ট টাইম জব করা যায়। শহরের অনেক স্টুডেন্ট রেস্টুরেন্টের পার্ট টাইম জব করে থাকে। এখানে তাদের মাসিক বেতন দিয়ে রাখা হয়। আপনি যদি রেস্টুরেন্টে পার্ট টাইম জব করেন তাহলে ভালো থাকো বর্জন করতে পারবেন।

সেলসম্যান – অনেক বড় বড় শপিং মলে অথবা কাপড়ের দোকানে কাপড় বেচা কেনার জন্য সেলসম্যান নিয়োগ দিয়ে থাকেন। সেখানে তারা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মাসিক বেতন দিয়ে সেলসম্যান রাখেন। আপনি চাইলে সেসব দোকানে সময় ব্যয় করে টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

আর্টিকেল রাইটিং – অনেকেই অনেক ব্লগ সাইটের আর্টিকেল রাইটিং করে অনেক টাকা উপার্জন করছে। অনেক ব্লগার রয়েছে যারা তাদের ওয়েবসাইটের জন্য আর্টিকেল রাইটিং করিয়ে থাকে। তারা প্রতি ১০০০ বাংলা ওয়ার্ড এর জন্য ১৫০  টাকা দেয়। খাবার প্রতি 1000 ইংরেজি ওয়ার্ড এর জন্য 300 টাকা দিয়ে থাকে। সুতরাং এখান থেকে আপনি মাসে প্রায় অনায়াসে 40 হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

Read More

ফেসবুকে অনলাইন ব্যবসা

১০ + ছাত্রদের জন্য ব্যবসা আইডিয়া

মালদ্বীপ ভিসার দাম কত , মালদ্বীপ যেতে কত টাকা লাগে?

রোমানিয়া স্টুডেন্ট ভিসা ও ভিজিট ভিসা

Maimuna Khan

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *