যাদের উপর রোজা রাখা ফরজ

যাদের উপর রোজা রাখা ফরজ

আসসালামু আলাইকুম সম্মানিত মুসলমান দ্বীনি ভাই ও বোনেরা। আশাকরি মহান রাব্বুল আলামিনের রহমতে আপনারা সকলে সুস্থ আছেন। আপনাদের দোয়ায় এবং রব্বুল আলামিনের রহমতে আমরাও ভালো আছি। আজকের এই পোস্টটিতে আলোচনা করব সেই সকল ব্যক্তিদের নিয়ে যাদের উপর রোজা রাখা ফরজ।তাহলে চলুন দেরী না করে চলে যাওয়া যাক আজকে সেই মূল বক্তব্যতে।

রোজা নিয়ে মহান আল্লাহ কি বলেছেন ?

রোজা নিয়ে মহান রাব্বুল আলামীন বলেছেনঃ হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে যেমনিভাবে রোজা ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর। ( সূরা বাকারা, আয়াত নম্বর- ১৮৫ )

যাদের উপর রোজা রাখা ফরজ

রোজা হচ্ছে ফারসি শব্দ। আরবিতে এই শব্দটি সিয়াম নামে পরিচিত। আশিয়ান শব্দটির  আবির্ভাব হয়েছে সাওম থেকে সাওমের অর্থ আসে বিরত থাকা। সুবেহ সাদিক হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোন প্রকার খাদ্যদ্রব্য কিংবা পানীয় থেকে বিরত থাকায় হচ্ছে সাওম। এখানে আমরা উল্লেখ করব ঠিক কাদের ওপর সাওম বা রোজা রাখা ফরজ। ৮ শ্রেণীর ব্যক্তিদের উপর রোজা রাখা ফরজ। নিচে আমরা এই ব্যক্তিদের বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা উল্লেখ করলাম।

৮ শ্রেণীর ব্যক্তিদের উপর রোজা রাখা ফরজ

বিনা কারণে রোজা বা সিয়াম ভঙ্গ করলে তার শাস্তি অত্যাধিক। তাই অবশ্যই চেষ্টা করুন রোজাগুলো সম্পূর্ণ ও সুন্দরভাবে করতে। রোজা ফরজ হওয়ার শর্ত আছে, যদি আপনার উপর এই সমস্ত শর্তগুলো প্রকাশ পায় তবে মনে করবেন আপনার উপর রোজা রাখা হয়েছে।

১। মুসলমান হওয়া। অবশ্যই রোজাদার ব্যক্তিকে মুসলমান হতে হবে। শুধুমাত্র মুসলমানদের উপর রোজা রাখা চ।

২। বালেগ হওয়া। ততক্ষণ না পর্যন্ত ফরজ হবে যতক্ষণ না পর্যন্ত ব্যক্তিটি বালেগ হয়।

৩।রোজা পালনের প্রতিবন্ধকতা থেকে মুক্ত থাকা।

 

৪। মুকিম হওয়া। মুকিম হওয়া বলতে বোঝানো হয়েছে নিজ গৃহে অবস্থান করা। অর্থাৎ মুসাফির নয়।

৫।রোজা পালনের সক্ষম হতে থাকা। অবশ্যই সুস্থ মানুষের জন্য রোজা রাখা ফরজ। যদি কোন ব্যক্তি এতটাই অসুস্থ থাকে যে সে রোজা থাকলে তার অবস্থা আরো খারাপ হয়ে যাবে, তবে তার ক্ষেত্রে রোজা রাখা ফরজ নয় । তবে সুস্থ হলে অবশ্যই কাযা আদায় করতে হবে।

 

৬। সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারী হওয়া। অবশ্যই সুস্থ মস্তিস্কের মানুষের উপর রোজা রাখা ফরজ। পাগলের উপর রোজা রাখা ফরজ নয়।

৭। স্বাধীন হওয়া। অর্থাৎ ক্রীতদাস নয়। বর্তমানে ক্রীতদাস দেখা যায় না বললেই চলে। 

৮। হায়েজ-নেফাস থেকে মুক্ত থাকা। যখন কোনো নারী হায়েজ-নেফাস থেকে মুক্ত থাকে । তখন অবশ্যই তার ওপর রোজা রাখা পর্ব শেষ হবে।

 

যাদের উপর রোজা রাখা ফরজ নয়

সম্মানিত দ্বীনি ভাই বোন আমরা এর আগে যাদের উপর রোজা রাখা ফরয নয়, এই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত একটি পোস্টটি তৈরি করেছে। যদি আপনাদের মধ্যে এই বিষয়ে জানার আগ্রহ থেকে থাকে তবে অবশ্যই আমাদের দোয়া নিচের এই লিংকটিতে ক্লিক করুন। আমাদের দেওয়ায় লিংকটিতে ক্লিক করলে আপনি মুক্ত পোস্টটি পেয়ে যাবেন ইনশাল্লাহ।

Link: যাদের উপর রোজা রাখা ফরজ নয় 

সর্বশেষ কথাঃ আশা করি আমাদের তুলে ধরা এই পোস্টটি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে। মানুষের মধ্যে ভুল হওয়াটা স্বাভাবিক যদি আমাদের মধ্যে কোন ভুল হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন। সেই সাথে আমাদের কাছে আপনার ব্যয় করার সময় টার জন্য ধন্যবাদ।

Maimuna Khan

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *