কিভাবে গুগল থেকে আর্নিং করা যায়- 2022

কিভাবে গুগল থেকে আর্নিং করা যায়- 2022
কিভাবে গুগল থেকে আর্নিং করা যায়
২. ব্লগিং করে টাকা আয়
৩. গুগল এডওয়ার্ড থেকে টাকা আয়
৪. গুগল প্লে থেকে টাকা আয়
৫. গুগল প্লে স্টোর থেকে আয়
১.ইউটিউব থেকে টাকা আয়
বর্তমান সময়ে ভিডিও দেখার জনপ্রিয় সাইট হল- ইউটিউব। যা গুগলের একটি অংশ । আপনি যদি চান তো এই ইউটিউব ব্যবহার করেও টাকা আয় করতে পারবেন।
আপনার যদি ভিডিও বানানোর জন্য বিশেষ দক্ষতা থেকে থাকে তবে আপনি গুগলের এই প্লাটফর্মে কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। তবে সে ক্ষেত্রে ভিডিওটি আপনার একান্তই নিজস্ব হতে হবে। একটি বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে যে এখানে কোন প্রকার কপি করা যাবে না। যদি আপনি কবে করেন তো সে ক্ষেত্রে আপনি আপনার ইউটিউব পেইজ নিয়ে এগোতে পারবেন না এবং কোন প্রকার ইনকাম করতে পারবেন না। টপ ভিডিও বানানোর জন্য আপনাকে অবশ্যই একটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে ভিডিওটি যেন কঁপি ভিডিও না হয়। ইউটিউবে আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ভিডিও শেয়ার করতে পারবেন। আপনার পছন্দ অনুযায়ী আপনি আপনার ইউটিউবে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভিডিও বানাতে পারেন, যেমন: শিক্ষামূলক ভিডিও, মোটিভেশনাল স্পিচ ভিডিও,লেখাপড়া বিষয়ক ভিডিও, কোন বিষয় নিয়ে কোর্স মূলক ভিডিও, বিভিন্ন ভ্রমণ বিষয়ক ভিডিও, লাইফ হ্যাকস ভিডিও, ইত্যাদি।
খেয়াল রাখবেন আপনার ভিডিও থেকে যেন অন্য কোন মানুষ কোন বিষয় শিখতে পারে, কার সাথে ভিডিওটি যেন সকলের কাছে আনন্দদায়ক হয়। আপনি যদি কোন ব্যবসায়ী হয়ে থাকেন তবে আপনি আপনার ব্যবসায় থেকে থাকা পণ্যের ভিডিও প্রচার স্বরূপ বিক্রি করতে পারবেন। ইউটিউবে ভিডিও ক্রিয়েট করে আপনি দুটি মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন। একটি হল অ্যাডসেন্স মূলক ইনকাম ও অপরটি স্পনসর্শিপ মূলক ইনকাম। ইউটিউব থেকে আয় করার জন্য আপনার প্রথমে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে হবে । তারপর সেখান থেকে প্রতিনিয়ত আপনার ভিডিও ক্লিপ তৈরি করে আপডেট করতে হবে। ইউটিউবে টাকা ইনকামের জন্য আপনাকে ইউটিউব এর কিছু নিয়মাবলীর মূলক কিছু কাজ থাকে যেগুলো পুরন করে আপনি এডসেন্স এর জন্য আবেদন করলেই তারপর থেকেই ইনকাম করতে পারবেন। যদি আপনার ভিডিওতে বীর্যের পরিমান বেশি হয়ে যায় তবে সেক্ষেত্রে আপনি স্পন্সরশিপ মূলক কাজ করেও ইনকাম করতে পারবেন। আপনি যদি চান তবে গুগল এডসেন্স স্পন্সর শিপমেন্ট দুটো একত্রে নিয়ে কাজ করতে পারবেন।

২. ব্লগিং করে টাকা আয়

আপনি চাইলে ব্লগিং করেও টাকা আয় করতে পারেন। যদি আপনার মধ্যে ভাল ব্লগার এর প্রতিবাদে কে থাকে তবে এই সুযোগটি ব্যবহার করে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। অনেকজন বলে থাকে ব্লগিং কি? ব্লগিং হল গুগোলের লেখালেখি মূলক একটি সার্ভিস । যারা মূলত ব্লগিং করে থাকে তাদেরকে ব্লগার বলে। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ব্লগ লিখে আপনি ইনকাম করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে লেখার মান অবশ্যই ভালো হতে হবে। ব্লগিং বাংলা অথবা ইংরেজি উভয় নিয়েই করতে পারবেন। যদি আপনার ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা থাকে তবে ইংরেজি নিয়ে লেখালেখি করতে পারেন। কিন্তু এখানে একটি বড় বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে, সেটি হল আপনার লেখালেখি যেন সুন্দর হয় এবং তাতে যেন সকল তথ্য সঠিকভাবে থাকে।

ব্লগিং করতে আপনার যা যা লাগবে

  •  ইন্টারনেট ব্যবস্থা
  •  একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ
  •  ধৈর্য এবং পরিশ্রম
ব্লগিং করার জন্য আপনার অবশ্যই ইন্টারনেট এর প্রয়োজন হবে। সে ক্ষেত্রে আপনি যদি ওয়াইফাই বা ব্রডব্যান্ড কানেকশন ব্যবহার করতে পারেন। ভালো ইন্টারনেটে ব্যবস্থার জন্য ব্রডব্যান্ড ভালো চয়েস। তারপর আপনার একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ লাগবে। যা ব্যবহার করে আপনি ব্লগিং করে থাকবেন। লগ ইন করার জন্য আপনার অনেক কিছু সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে সে বিষয়ে লেখালেখি করতে হবে এবং সেখানে সঠিক এবং পরিপূর্ণ সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে হবে। সর্বশেষ বিষয়টি হলো ধৈর্য ও পরিশ্রম। যেকোনো কাজের জন্য ধৈর্য এবং পরিশ্রম অতি গুরুত্বপূর্ণ। লগ ইন করার জন্য আপনাকে কঠোর পরিশ্রম এবং প্রচুর পরিমাণে ধৈর্যধারণ করতে হবে। সফলতার জন্য ধৈর্য এবং পরিশ্রম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এরপর গুগলে ভাল ভাল কনটেন্ট লেখালেখি করে সেখানে এডসেন্সের মাধ্যমে আপনি ইনকাম করতে পারবেন।

৩. গুগল এডওয়ার্ড থেকে টাকা আয়

গুগল এডওয়ার্ড হল গুগলের বিভিন্ন সাইটে বা অ্যাপ্লিকেশনে এড দেওয়ার একটি মাধ্যম । আপনি আপনার ব্যবসা মূলক প্রতিষ্ঠান জন্য বিভিন্ন বিভিন্ন এ ক্লিক করে গুগল এডওয়ার্ড এর মাধ্যমে প্রচার প্রসার অন করতে পারেন। শিব পূজার প্রসাদ এর মাধ্যমেই আপনার জিনিসপত্র বিক্রয় করতে পারেন। যেহেতু এটি গুগল এডওয়ার্ড তো এখানে এড দেখার জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়। এফিলিয়েট করা পণ্যও আপনি এই এডোয়ার্ড এর মাধ্যমে বিক্রয় করতে পারবেন। ধরুন আপনার একটি পণ্যের দাম ১০ হাজার টাকা । সেই পণ্যটি বিক্রি করলে আপনার লাভ হবে ২ হাজার টাকা। সে ক্ষেত্রে এডওয়ার্ডে আপনার খরচ করতে হবে ১ হাজার টাকা। আপনার কাজের জন্য গুগল এডওয়ার্ড সাইটে যেতে হবে, সেখানে গিয়ে একটি একাউন্ট খুলতে হবে। এরপর অ্যাড দেখানোর জন্য অপশন চালু করতে হবে। অতঃপর এড দেখানোর মাধ্যম গুলো আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে। এরপর এর মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন।

৪. গুগল পে থেকে টাকা আয়

গুগোল পে হচ্ছে এক ধরনের পেমেন্ট মূলক অ্যাপ্লিকেশন বা সফটওয়্যার । এই অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে অনলাইনে পেমেন্ট করতে পারবেন। এই অ্যাপ থেকেও আপনি টাকা আয় করতে পারবেন। বিকাশ, নগদ, রকেট, পেপাল ইত্যাদির মতও গুগোল পে। গুগল পে অ্যাপ্লিকেশনে গুগল থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের অফার দিয়ে থাকে। সেই সব অফার মোতাবেক কাজ করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। উক্ত অ্যাপ্লিকেশনে আপনি মোবাইল রিচার্জ , বিদ্যুৎ বিল, সেন্ড মানি সহ নানা বিষয় নিয়ে কাজ করতে পারবে। এখানে আপনি লটারি মত ক্র্যাচ কার্ড এর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন। অ্যাপ্লিকেশনে ইনভাইট এর মাধ্যমেও আপনি ইনকাম করতে পারবেন।
৫. গুগল প্লে স্টোর থেকে আয়

আমরা যারা অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে থাকে তারা অবশ্যই জানি যে স্মার্টফোনটিকে একটি অ্যাপ থেকে থাকে যার নাম হলো গুগল প্লে স্টোর। এটি গুগলের একটি সার্ভিস। এখান থেকে প্রত্যেক অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারকারী ব্যক্তিরা ফ্রি এবং টাকা দিয়ে অ্যাপ ডাউনলোড করে নিতে পারেন। বেশিরভাগ অ্যাপগুলো ফ্রি হয়ে থাকে। আর অল্প কিছু যেগুলো টাকা দিয়ে ডাউনলোড করতে হয়। ভালো মানের অ্যাপগুলো টাকা দিয়ে ডাউনলোড করতে হয় বিশেষ করে যেসব অ্যাপ ব্যবহার করে অনলাইনে ইনকাম করা যায়। আপনি এখানে মোটামুটি সকল বিষয়েই অ্যাপ পেয়ে যাবেন। প্লে স্টোরে লক্ষ লক্ষ অ্যাপ আপলোড দিয়ে অনেকেই ইনকাম করে থাকেন। যদি আপনার মধ্যে অ্যাপ তৈরি করার দক্ষতা থেকে থাকে তবে আপনি চাইলে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ তৈরি করে গুগল প্লে স্টোরে আপলোড দিয়ে আয় করতে পারবেন।

#লক্ষ্য রাখার বিষয় আপনি কোন অ্যাপ চলনা করার সময় কিছু জিনিস লক্ষ্য করতে পাবেন। সেটি হল সেটি হল।

ল্যাপটপ না করার সময় যদি আপনার নেটওয়ার্ক কানেকশন অন থাকে তবে আপনার সামনে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন ভেসে আসে। বিজ্ঞাপনগুলো অ্যাপ তৈরিকারী ব্যক্তি দিয়ে থাকেন। মূলত অ্যাপ গুলোতে দেখানো বিজ্ঞাপনগুলো থেকে অ্যাপ ডেভলপারা টাকা পেয়ে তাদের অ্যাপে বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। এই বিজ্ঞাপনগুলোর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করে থাকে। আপনি চাইলে ভালো মানের অ্যাপ তৈরি করে সেখান থেকে বিজ্ঞাপন এর মাধ্যমে ভালো ইনকাম করতে পারবেন। সেই সাথে গুগলে অ্যাপ আপলোড দিয়েও ইনকাম করতে পারবেন। গুগল প্লে স্টোর থেকে আয় কিভাবে করবেন গুগল প্লে স্টোর থেকে আয় করার জন্য আপনাকে অ্যাপ্লিকেশনের টপিক নিয়ে চিন্তা করতে হবে । এরপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে হবে। অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার পর আপনাকে একটি একাউন্ট ক্রিয়েট করতে হবে অ্যাকাউন্টটি হল গুগল এডমোব । তারপর আপনাকে তা দ্বারা বিজ্ঞাপন লাগাতে হবে। তারপর আপনাকে আপনার তৈরি করা একটি গুগল প্লে স্টোরে পাবলিশ করতে হবে। তবে একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে আপনি যে কোন অ্যাপ প্লে স্টোরে পাবলিশ করার আগে আপনাকে একটি গুগল প্লে কনসোল এর অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে।

যদি আপনার এ্যাকাউন্ট পড়বে থেকে থেকে থাকে তবে তা সাইন ইন করলেই হয়ে যাবে। আর যদি তা না হয়ে থাকে তবে আপনাকে সাইন ইন করার জন্য 25 ডলার রেজিস্ট্রেশন ফি হিসেবে গুগলকে প্রদান করতে হবে। আপনার অ্যাপ পাবলিশ করার পর আপনি আপনার একটি বিভিন্ন সোশ্যাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রমোশন করতে পারবেন। ফলে আপনার অ্যাপটি সবার সামনে আসবে। মনে রাখবেন প্রমোশনের জন্য অবশ্যই আপনাকে টাকা প্রদান করতে হবে। আপনি ভালো মানের অ্যাপ তৈরি করলে ভালো পরিমাণে ইনস্টলার পাবেন। আপনার অ্যাপটি ইনস্টল করার মতো লোক যদি বেশি হয়ে থাকে তাহলে আপনার ইনকাম বেশি হবে। সেখানে আপনি যদি বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন তবে বিজ্ঞাপন থেকেও আপনি বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন যেহেতু বেশি লোক আপনার অ্যাপ ইউজ করবে। এই বিষয়ে মাধ্যমে আপনি গুগল প্লে স্টোরে অ্যাপ পাবলিশ করে আয় করতে পারেন।

সর্বশেষ কথা,

Maimuna Khan

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *