চট্টগ্রাম থেকে সাজেক ভ্রমণ গাইড, যাওয়ার খরচ ও রিসোর্ট খরচ

চট্টগ্রাম থেকে সাজেক ভ্রমণ গাইড, যাওয়ার খরচ ও রিসোর্ট খরচ

চট্টগ্রাম থেকে সাজেক কিভাবে গেলে বেশি ভালো হয় –আজকের এই পোস্টটি আমি মূলত চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের জন্য লিখছি। আসলে যারা চট্টগ্রাম থেকে সাজেক যেতে চাইছে তাদের জন্য আজকের এই পোস্টটি করা। আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আমি চট্টগ্রামের ভ্রমণ প্রিয় মানুষদেরকে জানিয়ে দেবো যে সাজেকের মত সুন্দর জায়গাটিতে বেড়াতে গেলে তাদেরকে কি কি জেনে রাখা প্রয়োজন। আর সাজেকের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে চায় না এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়। এক কথায় নেই বললেই চলে। আর যাদের সময় অল্প কিন্তু তারা অল্প সময়ের মধ্যে সাজেকের সর্বোচ্চ সৌন্দর্য উপভোগ করতে চায় তাদের জন্য আমি আজকের এই পোস্টে সাজেকের প্রধান আকর্ষণীয় স্থানগুলোর নাম বলে দেব যাতে তারা কম সময়ে সর্বোচ্চ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে।

বাংলাদেশের কিছু দর্শনীয় স্থানের মধ্যে সাজেক অন্যতম একটি দর্শনীয় স্থান। সাজেক সাজেক রাঙ্গামাটি জেলার সর্ব স্তরের মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত যার আয়তন ৭০২ বর্গ মাইল। এছাড়াও সাজেক রয়েছে কমোলক ঝর্ণার মত আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থান। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক সাজেক সম্পর্কে আরো কিছু আকর্ষণীয় তথ্য।

চট্টগ্রাম থেকে সাজেক

আমি আগেই বলে দিয়েছি যে আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে আমি আপনাদেরকে জানিয়ে দেবো চট্টগ্রাম থেকে সাজেক কিভাবে গেলে বেশি ভালো হয়। আশাকরি আপনারাও এ বিষয়ে জানার জন্য অপেক্ষা করছেন। অনেকেই আছে যারা চট্টগ্রাম থেকে সাজেক যেতে চায় কিন্তু সাজেক যাওয়া সম্পর্কে তেমন কোনো তথ্য না জানার কারণে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছেন। তাদের কথা ভেবে আমি আজকে চট্টগ্রাম থেকে সাজেক যাওয়ার সকল তথ্য জানিয়ে দেবো। তাহলে চলুন আর দেরি না করে জেনে নেয়া যাক কিভাবে চট্টগ্রাম থেকে সাজেক গেলে বেশি ভালো হয়।

আপনি যদি চট্টগ্রামের বাসিন্দা হয়ে থাকেন তাহলে আগেই বলে রাখি চট্টগ্রাম থেকে সাজেক যেতে হলে আপনাকে বাসে করে যেতে হবে। আপনি আপনার সুবিধা মত এসি বাস অথবা নন এসি বাস এ করে যেতে পারবেন। তবে বাসে যাওয়ার ক্ষেত্রে আপনার আগেই জেনে রাখা ভালো যে চট্টগ্রাম থেকে আপনাকে প্রথমেই খাগড়াছড়ি পর্যন্ত বাসে করে যেতে হবে এরপর বাস থেকে নেমে চান্দের গাড়ি কিংবা সিএনজি করে আপনি আপনার গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে। আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন চট্টগ্রাম থেকে সাজেক কিভাবে যেতে হবে।

সাজেক ভ্যালি ভ্রমণ খরচ

চট্টগ্রাম থেকে সাজেক ভ্যালি ভ্রমণ করলে খুব বেশি খরচ হবে না। আগেই বলে দিয়েছি যে সাজেক যেতে হলে আপনাকে প্রথমে চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ি বাসে করে যেতে হবে। চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ি আসতে আপনার সর্বোচ্চ খরচ পড়বে 300 -350 টাকা। এরপরে অবশ্যই আপনি জানতে চাচ্ছেন পরবর্তীতে আপনার আরো কত খরচ হবে। এরপর আপনাকে জিপে উঠতে হবে। আর খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক ভ্যালির দূরত্ব 70 কিলোমিটার। খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক আপনার খরচ পড়বে 9000 – 10000 টাকার মতো।

এর পরবর্তীতে হোটেল -রিসোর্ট ভাড়া কত হবে তা সম্পূর্ণ আপনার উপর নির্ভর করবে। আপনি কেমন ভাবে থাকতে চান কিংবা কোন জায়গায় বেশি সুবিধাজনক সেটা আপনি নিজেই জেনে নিতে পারবেন। আর যত সুবিধাজনক থাকার জায়গা খুঁজবেন আপনার খরচ বেশি হবে। আশা করি আপনি সাজেক ভ্যালি ভ্রমণ খরচ সম্পর্কে বুঝতে পেরেছেন। সাজেক ভ্যালি কিছু রিসোর্ট সম্পর্কে আমি নিচে দিয়ে দিয়েছি দেখে নিতে পারেন।

সাজেক ভ্যালি রিসোর্ট ভাড়া

অনেকেই আছে যারা জানতে চান সাজেক ভ্যালি রিসোর্ট এর ভাড়া কেমন এবং কোনটি সুবিধাজনক। আজকে আমি তাদের জন্য কিছু রিসোর্ট সম্পর্কে এবং তার ধারা সম্পর্কে আপনাদেরকে কিছু তথ্য জানিয়ে দেবো। আপনি যদি এই রিসোর্ট গুলো সম্পর্কে জানতে চান তাহলে অবশ্যই আমার দেওয়া পোস্টটি ভাল করে পড়ুন।সাজেক ভ্যালি কিছু রিসোর্ট যেমন : সাজেক রিসোর্ট, মেঘপুঞ্জি রিসোর্ট, জুমঘর ইকো রিসোর্ট, চাঁদের বাড়ি রিসোর্ট ইত্যাদি।

সাজেক রিসোর্ট – সাজেক রিসোর্ট বাংলাদেশের সেনাবাহিনী পরিচালিত একটি রিসোর্ট। আপনি যদি এই রিসোর্টে উঠতে চান তাহলে আপনার খরচ হবে ১০০০০ থেকে ১৫০০০ টাকার মত।

মেঘপুঞ্জি রিসোর্ট – সাজেকের কিছু আকর্ষণীয় রিসোর্ট এর মধ্যে একটি হল মেঘপুঞ্জি রিসোর্ট। এই রিসোর্ট এর আপনি সব রকম সুবিধা পাবেন। কারণ এর রিসোর্ট টি খুবই বিলাসবহুল একটি রিসোর্ট। রিসোর্টটিতে উঠতে চাইলে আপনার খরচ হবে ৪০০০০ -৪৫০০০ টাকা।

জুমঘর ইকো রিসোর্ট – সত্যি খুবই জনপ্রিয় একটি রিসোর্ট নান্দনিক উপস্থাপনার জন্য। এরিসোর্টটির কটেজ ভাড়া ৪০০০ টাকা। স্বল্প খরচে ঘুরে আসার অন্যতম একটি ব্যবস্থা দিয়েছে এই রিসোর্ট টি।

চাঁদের বাড়ি রিসোর্ট – এই রিসোর্ট টি খুবই সুন্দর একটি রিসোর্ট। এই রিসোর্টে উঠলে আপনি মেঘের সমুদ্র দেখতে পারবেন এই রিসোর্টে ছুটির দিনে রুম ভাড়া দেওয়া হয় না। বাকি দিনগুলোতে রুম ভাড়া নিলে আপনার খরচ পড়বে ৩৫০০০ টাকা।

কংলাক পাহাড় সাজেক

সাজেক ভ্যালির সর্বোচ্চ চূড়া হল কংলাক পাহাড়। যার উচ্চতা 1800 ফুট। পাহাড়ে উঠে আপনি সাজেকের সকল সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন। এই পাহাড়টি সাজেক ভ্যালির সর্বোচ্চ চূড়ায় অবস্থিত। যেখানে পর্যটকরা হেঁটে হেঁটে উঠে সৌন্দর্য উপভোগ করে। এটি খুবই সুন্দর এবং মনোরম একটি জায়গা। আশাকরি সাজেক সম্পর্কে আপনারা বেশ ভালো তথ্য জানতে পেরেছেন। সাজেক ঘুরে আসার জন্য হলেও আমার দেওয়া পোস্টটি ভালোভাবে পড়বে। আশা করি আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে আপনারা অনেক উপকৃত হয়েছেন।

সাজেক ভ্যালি প্যাকেজ

সাজেক ভ্যালি প্যাকেজকে তিনটি ট্যুর প্যাকেজে ভাগ করা হয়েছে। এগুলোকে গ্রুপ বলা হয়। সাধারণত বড় গ্রুপ, মাঝারি গ্রুপ এবং ছোট গ্রুপ নামে পরিচিত এগুলো।

Read More

স্টুডেন্টদের জন্য পার্ট টাইম জব

ফেসবুকে অনলাইন ব্যবসা

রোমানিয়া স্টুডেন্ট ভিসা ও ভিজিট ভিসা

Maimuna Khan

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *